সবশেষে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়। তার মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি “সফল বিনিয়োগ” এবং বর্তমানে মার্কিন নাগরিকরা ইরানের হামলা বা পারমাণবিক হুমকির মধ্যে নেই।
🚨 ট্রাম্পের ভাষণ শেষ হতেই
ইসরায়েলে ইরানের ভয়াবহ হামলা!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই ইসরায়েল লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় Iran। এমন তথ্য প্রকাশ করেছে Al Jazeera।
ভাষণ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ইসরায়েলের দিকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। Israel-এর সামরিক বাহিনী জানায়, তারা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে এবং তা প্রতিহত করতে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।
বুধবার (১ এপ্রিল) ইরান প্রায় ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় অঞ্চল। ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত হওয়ার পর Tel Aviv, শেফেলা ও আশপাশের এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিস্ফোরণের শব্দও শুনেছেন বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র বা তার ধ্বংসাবশেষ আঘাত হানতে পারে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এছাড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা আকাশে বিস্ফোরিত হয়ে ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, চলমান সংঘাতে ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর প্রশংসা করে ট্রাম্প বিশেষভাবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তারা “অসাধারণ কাজ” করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্যর্থ হতে দেবে না।
ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, ইরান বিভিন্ন দেশের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং তাই তাদের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
ভাষণে তিনি Nicolás Maduro-কে দ্রুত আটক করার ঘটনায় মার্কিন সেনাদের ধন্যবাদ জানান এবং দাবি করেন, এতে বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক উন্নতির ইঙ্গিত দেন।
এছাড়া নিজের প্রথম মেয়াদের একটি ঘটনার উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার Qasem Soleimani-কে হত্যার অভিযানে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাকে তিনি “বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী” হিসেবে উল্লেখ করেন।
সবশেষে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়। তার মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি “সফল বিনিয়োগ” এবং বর্তমানে মার্কিন নাগরিকরা ইরানের হামলা বা পারমাণবিক হুমকির মধ্যে নেই।
🚨 ট্রাম্পের ভাষণ শেষ হতেই ইসরায়েলে ইরানের ভয়াবহ হামলা!
⚡ ভাষণ শেষ, শুরু যুদ্ধ! ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে কাঁপছে ইসরায়েল
ইরান বনাম ইসরায়েল
💥 মুহূর্তেই হামলা! ট্রাম্পের ভাষণের পর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র

