25.5 C
Bangladesh
Saturday, July 25, 2026
News

শেষ পযর্ন্ত চলেই গেলেন কিংবদন্তি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের গুণী পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী আমজাদ হোসেন আর নেই

শেষ পযর্ন্ত চলেই গেলেন কিংবদন্তি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের গুণী পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী আমজাদ হোসেন আর নেই

শেষ পযর্ন্ত চলেই গেলেন কিংবদন্তি  বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের গুণী পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী আমজাদ হোসেন আর নেই

শেষ পযর্ন্ত চলেই গেলেন কিংবদন্তি  বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের গুণী পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী আমজাদ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)|শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৭ মিনিটে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন | মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর |

১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচর্চার সঙ্গে জড়িত হন। প্রথমে তিনি অভিনয় করেন মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ সিনেমায়।

আমজাদ হোসেন একসময় চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হানের সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি নিজেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

প্রতি অনুরাগী ছিলেন। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচচার্র সঙ্গে জড়িত হন। যাত্রার শুরুটা ছিল মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। এরপর তিনি অভিনয় করেন মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে। আমজাদ হোসেনের লেখা নাটক ‘ধারাপাত’ নিয়ে চলচ্চিত্র নিমার্ণ করেন সালাহউদ্দিন। এতে আমজাদ হোসেন নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন। এরপর তিনি জহির রায়হানের ইউনিটে কাজ শুরু করেন। এভাবেই দীঘির্দন কাজ করতে করতে ১৯৬৭ সালে নিজেই চলচ্চিত্র নিমার্ণ করেন। নাম ‘জুলেখা’। তার পরিচালিত ব্যাপক দশর্কপ্রিয় চলচ্চিত্র হচ্ছে ‘বাল্যবন্ধু’, ‘পিতাপুত্র’, ‘এই নিয়ে পৃথিবী’, ‘বাংলার মুখ’, ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘ভাত দে’, ‘হীরামতি’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘সুন্দরী বধূ’, ‘কাল সকালে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ ‘গোলাপী এখন বিলেতে’ ইত্যাদি। ১৯৮১ সালে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আমজাদ হোসেন। দীঘর্ বণার্ঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি ‘ভাত দে’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’র মতো কালজয়ী অনেক সিনেমা নিমার্ণ করেছেন। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সবোর্চ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এছাড়া সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার ও ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

Related posts

বাংলাদেশের নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপুল জয় আশ্বস্ত করেছে পশ্চিমবাংলার রাজনৈতিক দলগুলিকে৷

Lutfur Mamun

ভোটের আগে সারাদেশে আওয়ামী লীগ ‘বিজয় মঞ্চ’

Lutfur Mamun

সেমিফাইনাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল,”AWAAZ”

Lutfur Mamun

আফগানিস্তানকে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে হারিয়ে ,পাকিস্তানএশিয়া কাপের ফাইনালে ||

Lutfur Mamun

শাকিব খান নৌকায় ভোট চাইলেন

Lutfur Mamun

সু চির সামনে শেষ সুযোগ : জাতিসংঘের মহাসচিব

admin
Verified by ExactMetrics